দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত গোল করার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। বোস্টনে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় পাওয়া ম্যাচে একটি গোল করেন তিনি। ম্যাচের শুরুতে একটি পেনাল্টি থেকে গোল করতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে করা সেই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে পেনাল্টি ছাড়া সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় লিওনেল মেসির সমতায় পৌঁছেছেন এমবাপ্পে।
চলতি বিশ্বকাপে তিনি একাধিক রেকর্ড ভেঙেছেন এবং কয়েকটি রেকর্ডে সমতা এনেছেন।
বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়েন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে গোল করে তিনি অলিভিয়ে জিরুর ৫৭ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান। বর্তমানে ফ্রান্সের হয়ে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা ৬৪। তালিকায় তিয়েরি অঁরি ৫১ গোল নিয়ে তৃতীয় এবং আন্তোয়ান গ্রিজমান ৪৪ গোল নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।
বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও এখন এমবাপ্পের দখলে। সেনেগালের বিপক্ষে করা গোলটি ছিল বিশ্বকাপে তার ১৪তম গোল, যা দিয়ে তিনি ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে করা জুস্ত ফন্তেনের ১৩ গোলের রেকর্ড ভেঙে দেন। এরপর আরও ছয়টি গোল করে তিনি এই রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।
মরক্কোর বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপে পেনাল্টি ছাড়া সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় লিওনেল মেসির সমতায় পৌঁছেছেন এমবাপ্পে। দুজনেরই পেনাল্টি ছাড়া গোলসংখ্যা এখন ১৭। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে এমবাপ্পের মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০, যা সর্বকালের তালিকায় মেসির চেয়ে মাত্র একটি কম।
সুইডেনের বিপক্ষে প্রথম গোলটি করে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও নিজের করে নেন এমবাপ্পে। সেই গোলের মাধ্যমে তিনি ব্রাজিলের কিংবদন্তি লিওনিদাস ও রোনালদোকেও পেছনে ফেলেন। পরে সুইডেন, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর বিপক্ষে আরও গোল করে নকআউট পর্বে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১২।
মরক্কোর বিপক্ষে উসমান দেম্বেলের গোলে সহায়তা করে আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন এমবাপ্পে। তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে ১১টি করে সরাসরি গোল অবদান রাখার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তিনি আট গোল ও দুটি সহায়তা করেছিলেন। চলতি বিশ্বকাপে সেই পরিসংখ্যান আরও উন্নত করেছেন। ১৯৬৬ সাল থেকে এই হিসাব সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর দুটি পৃথক বিশ্বকাপে ১০ বা তার বেশি সরাসরি গোল অবদান রাখা প্রথম খেলোয়াড়ও তিনি।
এ ছাড়া বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডেও সমতা এনেছেন এমবাপ্পে। হুগো লরিসের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি এখন ২০টি ম্যাচ খেলেছেন। এই মাইলফলকে পৌঁছানো সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়ও তিনি। সেমিফাইনালে মাঠে নামলে এই রেকর্ডে এককভাবে শীর্ষে ওঠার সুযোগ থাকবে তার।
সূত্র: আল-জাজিরা
/অ